বাংলাদেশের গল্পে বলিউডের সিনেমা; যে ঘটনা আপনার রাতের ঘুম হারাম করবে | Pari movie Real story
Pari movie Real story

বাংলাদেশের গল্পে বলিউডের সিনেমা; যে ঘটনা আপনার রাতের ঘুম হারাম করবে | Pari movie Real story

আজ এমন এক সিনেমার কথা বলবো যার রীতিমতো আপনার চোখ কপালে তুলবে। বাংলাদেশের এক বহুল আলোচিত মিথ নিয়ে বলিউড সিনেমা বানিয়ে শত কোটি টাকা কামিয়ে নিল অথচ আমাদের পরিচালকেরা নাকি গল্প খুঁজে পান না,বলছি পরী সিনেমার কথা আনুশকা শর্মার অভিনীত এবং প্রযোজিত এই সিনেমাটা সম্ভবত গত এক দশকে বলিউডে নির্মিত সবচেয়ে পরিচ্ছন্ন হরর সিনেমা। তবে অনেকেই হয়ত ভাবতে পারেন একটা স্রোকল বলিউড সিনেমা নিয়ে কেন আমরা ব্লগ তৈরি করছি। এর কারণ এই সিনেমার গল্প আমাদের বাংলাদেশের সাতক্ষীরা আপনি কল্পনাও করতে পারবেন না এরকম ভয়াবহ ঘটনা ঘটেছে আমাদের দেশেই।এই ঈফ্রিত,জিন,অলাদচক্র কিংবা কেয়ামত আন্দলনএই শব্দগুলি যদি কখনো সুনে থাকেন আমাদের এই আজকের ব্লগটি আপনার জন্য।তবে শুরুতেপরী সিনেমার কথা কথা বলব আপনাদের কোন এভিডেন্স এর ভিত্তিতে বলিউডের সিনেমা বানালো বোলব সেটাও। একটু নোরে চোরে বসুন আজ আপনাদের ভয়,উত্তেজনা আর রোমাঞ্চের রোলার কোস্টারে চরিয়ে নিয়ে আসবো ।আপনার শিরদারা বেয়ে নেমেজাবে হিমশিতল এক আতংক। ঘটনায় অরনব একজন বিবাহ যজ্ঞ ব্যাচেলার একটা প্রেষ আছে তার ছেলের রুজি-রোজগার ভালো তাই বাবা-মা তার বিয়ে দেবেন বলে মেয়ে খুজচ্ছেন।এদিকে পিয়েলি হাসপাতালে নার্সের চাকরি করে তাকে বেশি পছন্দ হয় অর্ণবের।পিয়ালির বোরআইন্টাইড কথা সুনে দুম কোরে ভালো লেগে জায় তাকে।পিয়ালির বাড়ি থেকে ফেরার পথে ঘোটলো সড়ক দুর্ঘটনা।যে দুর্ঘটনা গোটা সিনেমার আবহাওয়াটাকেই বদলে দিবে। বৃষ্টির মধ্যে ভেজা রাস্তায় অর্নবের বাবার গাড়িতে এক বোরকা পরা মহিলা চাপা পড়ে মারা যান,হতভম্ব হয়ে যায় গোটা পরিবার।ভুলটা ওই মহিলারই ছিলতিনিও রাস্তার মাঝখানে চলে এসেছিলেন আচমকা।প্রত্যক্ষদর্শীর বয়ান পেয়ে পুলিশ সেটা বিশ্বাসও করল।কিন্ত কে এই মহিলা,তার বাড়ি কোথায়?
এলালার লোকজন জানালো দুর্ঘটনার কাছেই জঙ্গলের ভেতর থাকে এই মহিলা।মহিলাকে চেনে অনেকেই কিন্তু কারো সাথে কথা বলে না।অর্ণব তখন পুলিশকে সাথে নিয়ে ডুকে পরে জঙ্গলের ভিতর।মহিলা যে মারা গেছেন সেটাতো জানাতে হবে। কে আছে তার পরিবারে?
সেখানে জন্তুর মত শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছে একটি মেয়েকে নাম তার রুকছানা
নিহতো মহিলার মেয়ে সে।তাকে নিয়ে আসা হল হাসপাতালের মর্গে বুঝিয়ে দেওয়া হল তার মা মারা গেছে অর্ণব বারবার ক্ষমা চাইল রুকছানার কাছে।পালন করল রুপসোনা মায়ের শেষকৃত্য,কিন্তু এরই মধ্যে ঘটলো আরেক ঘটনা মর্গে রুকসানার মায়ের শরীরে একটা বিশেষ চিহ্ন দেখে ফেলেছে মর্গের এক লোক।চিহ্ন দেখেই আতকে উঠেছে সে,সঙ্গে সঙ্গে ফোন করেছে বাংলাদেশে থাকা প্রফেসর কাসেম আলীকে।কে এই কাসেম আলী?তিনি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শারীরিক শিক্ষক।১৯৯০ সালে বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া কেয়ামত আন্দোলন নামের এক আন্দোলনের জন্মদাতা ছিলেন তিনি। সিনেমার গল্প যখন ফিরে যায় ফ্ল্যাশব্যাকে চলে যাই বাংলাদেশের সাতক্ষীরায় আশি ও নব্বইয়ের দশকের মধ্যবর্তী একটা সময় সেখানকার সুন্দরী যুবতী মেয়েদের গুম করে তাদেরকে জোর পূর্বক যৌন মিলন ঘটানো হতো ফিক্সিংয়ের সঙ্গে।তার পর গর্ভবতী মেয়েদের পেট থেকে যিনঈফ্রিতের সন্তানকে বের করে একটি বড় পাত্রে সিল করে রাখতেন কাসেম আলী এবং তার সঙ্গীরা। ব্লগের এই পর্যায়ে আপনাদের কাছে দুটি বিষয়ে ব্যাখ্যা করা যায় নতুবা আপনাদের মনে অনেকগুলো প্রশ্ন জাগতে পারে।
স্যাটানিজম এর নাম আমরা সবাই শুনেছি সৃষ্টিকর্তা হিসেবে শয়তানকে বিশ্বাস করা ও তার পূজা করাটাকেই এককথায় স্যাটানিজম বলে।এটা এমন একটা স্বতন্ত্র ধর্ম যার চর্চা করা সভ্য সমাজে পুরোপুরি নিষিদ্ধ।চর্চা করতে হয় গোপনে কাউকে না জানিয়ে।
এবং যুগে যুগে বিভিন্ন গ্রুপে এই স্যাটানিজম চর্চা করে এসেছে অলাতচক্র এমন একটি গ্রুপ।যারা শয়তানকে প্রভু মানে তাদের পূজা করে।১৯৯০ সালে জাতির উৎপত্তি বাংলাদেশের সাতক্ষীরায় কিন্তু অলাতচক্র মেয়েদের কেন অপমান করা শুরু করলো এর কারণ হিসেবে যে তথ্যটি সবচেয়ে বেশি বার সোমা গেছে সেটি হচ্ছে জিন জাতির মধ্যে সবচেয়ে ভয়ংকর জাত ইফ্রিত এর বংশ বিস্তারের উদ্দেশ্যে এই তরুণী মেয়েদের গুম করা হতো।ইফ্রিত অস্থিত্বের কথা ইসলাম ধর্ম অনুযায়ী পরীক্ষিত।ইফ্রিত এর অস্তিত্বের কথা যানা যায় বুখারী হাদিস থেকেও।অনেকের মনে প্রশ্ন জেগেছে ইফিত জিনিসটা কি দেখতে কেমন?
আগেই বলা হয়েছে ইফ্রিত জিন জাতির মধ্যে সবচেয়ে ভয়ংকর। তাদের কখনোই দেখা যায় না তবে তাদের আওয়াজ শোনা যায়। তাদের অস্তিত্ব অনুভব করা যায় সেরা মানব নাড়ীর সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করতে পারে এতে করে সেই নারীটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে
পড়ে সাধারণ মানুষ নয় মাসের মাথায় জন্মগ্রহণ করলেও ইফ্রিতের সন্তান জন্ম নেয় এক মাসের মাথায় যে নারীর সঙ্গে যে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করে সেই নারীর গর্ভে ২৯ দিনে বেড়ে ওঠে ভ্রুন। যে সন্তান জন্মগ্রহণ করে সে জন্ম নেয় নাভেলকট ছাড়াই।অর্থাৎ সেই এক মাস মায়ের গর্ভে বড় হয়েছে ঠিকই কিন্তু মায়ের শরীর থেকে পুষ্টি লাভ করেনি তাকে হৃষ্টপুষ্ট করে বড় করে তুলেছে খুব শয়তান নিজেই।দুই সন্তান ভবিষ্যতে শয়তানের হয়ে বংশবিস্তার এর ধারা অব্যাহত রাখে।এভাবেই ইফ্রিতের অস্তিত্ব টিকে থাকে যুগের পর যুগ।প্রচলিত আছে বাংলাদেশের সাতক্ষীরা অঞ্চল ওলাতচক্র ছিল ইফ্রিত জেনের উপাসক সঙ্গ এবং এদের কাজ ছিল এই জিনের জন্য মেয়েদেরকে ধরে আনা।জিন্দের সঙ্গম হওয়ার একমাস পর বাচ্চার জন্ম হয়ে গেলে মাকে মেরে ফেলা হতো।তার দেহ পুড়িয়ে ফেলা হতো। যাতে কেউ খুঁজে না পায় কখন।আবার সিনেমায় ডুকে যাই আমরা,রোকসানার মা ছিলেন এমনই এক ভাগ্যবিড়ম্বিতা মহিলা অলাতচক্রের হাতে গুম হয়েছিলেন তিনি।ইফ্রিতের সাথে সঙ্গমে বাধ্য করা হয় তাকে। তার গর্ভে আসে ইফ্রিতের সন্তান কিন্তু শেষ মুহূর্তে নিজের প্রাণ নিয়ে বন্দি কারাগার থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয় রক্ষা করেন তার গর্ভে নেওয়া শিশুটির জীবনও। সাতক্ষীরা থেকে বর্ডার দিয়ে পালিয়ে তিনি চলে আসেন পশ্চিমবঙ্গের কোন এক জায়গায় রোকসানাকে নিয়ে সেখানে বসবাস করতে থাকেন।এদিকে মর্গে ডোবার কাছে রুখসানার খবর পেয়ে দলবল নিয়ে কাসেম আলী ছুটে আসেন বাংলাদেশ
থেকে।তার লক্ষ রোকসানাকে বন্দি করে নিয়ে যাওয়া কারন রুকসানা ইফ্রির্চাইল্ড অর্থাৎ এর ইফ্রিরর জিনের বংশধর।এদিকে রুকসানার মাকে এক্সিডেন্টে মেরে ফেলার কারনে অর্ণব বেশকিছুটা দুর্বল হয়ে পড়ে এতিম রোকসানার উপর। আর এই দুর্বলতা রুখসানাকে আশ্রয় করে দেয় অর্নবের বাড়িতে। অর্ণব এর সাথে অদ্ভুত সখ্যতা তৈরি হয় তার একটা সময় দুজনের শারীরিক মিলন হয়ে গেল।কিন্তু রুপসোনাতো ইফ্রিতজিনের বাচ্চা তার সঙ্গে মানুষের মিলনতো জিনের উদ্ভব হবেসেটা তো আর অর্ণব জানিনা এখনো। এদিকে রুকসানার পিছনে অর্ণবকে খুঁজে বের করে ফেলে কাসেম আলী কিন্তু অন্যকে বিশ্বাস করাতে পারে না তার ইফ্রির থিওরি।কাসেম আলী লোকটার মধ্যে কিছুটা খারাপ ব্যাপার আছে সেটা বুঝে যায় অর্ণব

এদিকে অর্নবের বাগদত্তা পিয়ালী টের পেয়ে যায় অর্ণব এর সাথে রুকসানার সম্পর্কের কথা ফলস্বরূপ কর্ণগড় বিছানার মধ্যে টানাপড়েন শুরু হয়ে যায়।
এরই মধ্যে অর্ণব জানতে পারে ১৯৯০ সালে জানতে পারি সেই রহস্যময় ঘটনা সম্পর্কে।যে ঘটনায় তোলপাড় ফেলে দিয়েছিল বাংলাদেশ এবং পশ্চিমবঙ্গে।সাতক্ষীরা ও তার আশেপাশে অঞ্চল থেকে হঠাৎ করে বেশ কিছু নাবালিকা মেয়ে গায়েব হয়ে গিয়েছিল তখন। তাদের পরিবার পুলিশে খবর দিয়েছিল কিন্তু কিছুতেই তাদের খোঁজ পাওয়া যায়নি।গুজব রটে গেল অলাতচক্র নামে এক গোপন সংগঠন
নাকি এই ঘটনার সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ছিল।এলাকার সবাই বলতে শুরু করল এই অলাতচক্রই মেয়েদের হঠাৎ করে হারিয়ে যাওয়ার পেছনে দায়ী।অর্ণব তখন বুঝতে পারে রুকসানা আসলে ইফ্রিত জিনের বংশধর।সেই চটজলদি যোগাযোগ করে কাশেম আলীর সঙ্গে।রোকসানা সাথে ভালোবাসার অভিনয় করে তাকের ধরিয়ে দেয় কাসেম আলীর হাতে।কিন্তু অর্ণব কাসেম আলীর বদমতলবটা ভুঝতে পারেনি তখনো।কাসেম তো চায় রুকসানা গর্ভের বাচ্চাটাকে। তারপর
রোকসানাকে মেরে ফেলা তার লক্ষ।কিন্তু রুখসানা তো জীন মানুষের কাছে কি এতো সহজে হার মানবে? প্রায় এক মাস বন্দি থাকার পর রুকসানা একদিন খুন করে কাশেম আলীকে।বেরিয়ে আসে বন্দিশালা থেকে তারপর খুজতে বের হয় অর্ণবকে তাকে এবং তার সন্তানকে যে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়েছে সেই অন্যায়ের প্রতিশোধ নিতেই হবে। অর্ণব তার সন্তানকে খুনের পথ সুগম করেছে সে অর্নবের ভালোবাসার পিয়ালী কে খুন করবে কিন্তু পিয়ালী কে খুন করতে গিয়ে নিজেই বিপদে পড়ে লোকসান।আচমকা পেটে আঘাত পেয়ে প্রসব বেদনায় ছটফট করে ওঠে সে সেই সংকটাপূর্ণ মুহূর্তে তাকে এবং তার সন্তানকে প্রাণে বাচায় পিয়ালি নার্সের চাকরিতে ঢোকার সময় যে শত্রুর বিপদে পাশে থাকার শপথ নিয়েছিল।একটা আবেগঘন দৃশ্যের অবতারণা হয় সেখানে সিনেমার শেষ দৃশ্য অর্ণব আর পিয়ালির হাতে বাচ্চাটাকে তুলে দিয়ে রোকসানা ফিরে যায় জঙ্গলের ভেতর তার সেই ছোট্ট কুটির ঘড়ে,আরে সেখানে মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা করতে থাকে সে এক বর্ষণমুখর রাতে তার খোজে সেখানে যায় অর্ণব।গিয়ে খুঁজে পায় মুমূর্ষু রোকসানাকে ভালোবাসার মানুষটির হাতের উপরেই শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করে হতভাগ্য রুকসানা।তবে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আপনাদের জানিয়ে রাখি পরী সিনেমা টি সম্পূর্ণ ফিকশন বলে দাবি করা হয়েছে অর্থাৎ ঘটে যাওয়া সাতক্ষীরার এই ঘটনার কোন এভিডেন্স নেই।সিনেমায় THE EVIL CHILD নামে যে বইটার কথা বলা হয়েছে এমন কোন বইয়ের অস্তিত্ব নেই।কাসেম আলী নামে কোন প্রফেসর ছিলে না বাংলাদেশে। তবে গুজব আছে তিনি যে কেয়ামত আন্দোলনের ডাক দিয়েছিলেন সেটা ছিল অলাতচক্র।অর্থাৎ এই শয়তান পূজারীর বিরুদ্ধে কিন্তু পড়ি সিনেমায় তাকে ভিলেন বানানো হয়েছে।এদিকে পত্র-পত্রিকায় যুবতী মেয়েদের গুম করের যেসব এভিডেন্স দেখানো হয়েছে সেগুলোর কোনো প্রমাণ নেই।তবে পুরো ঘটনাটাই বহুল আলোচিত একটি মিথ।এখনো অনেক মানুষের মুখোমুখে ১৯৯০ সালে ঘটে যাওয়াসেই ঘটনার কথা শোনা যায়।তাছাড়া বলিউড যখন এমন গল্পে ছিনেমা বানাবে মানুষতো সুযোগ করে প্রশ্ন ওথাবেই।তবে আমার মতে এগুলো নিয়ে যত কথা বলবে ততই ভালো। আর এই লেখাটি কেবল পরি মুভি এবং তার এক্সপ্লেনেসন নিয়ে।শেষ করছি এই পর্ব জানাতা ভুলবেন না আপনার মতামত।

বাংলাদেশের গল্পে বলিউডের সিনেমা; যে ঘটনা আপনার রাতের ঘুম হারাম করবে | Pari movie Real story

আজ এমন এক সিনেমার কথা বলবো যার রীতিমতো আপনার চোখ কপালে তুলবে। বাংলাদেশের এক বহুল আলোচিত মিথ নিয়ে বলিউড সিনেমা বানিয়ে শত কোটি টাকা কামিয়ে নিল অথচ আমাদের পরিচালকেরা নাকি গল্প খুঁজে পান না,বলছি পরী সিনেমার কথা আনুশকা শর্মার অভিনীত এবং প্রযোজিত এই সিনেমাটা সম্ভবত গত এক দশকে বলিউডে নির্মিত সবচেয়ে পরিচ্ছন্ন হরর সিনেমা। তবে অনেকেই হয়ত ভাবতে পারেন একটা স্রোকল বলিউড সিনেমা নিয়ে কেন আমরা ব্লগ তৈরি করছি। এর কারণ এই সিনেমার গল্প আমাদের বাংলাদেশের সাতক্ষীরা আপনি কল্পনাও করতে পারবেন না এরকম ভয়াবহ ঘটনা ঘটেছে আমাদের দেশেই।এই ঈফ্রিত,জিন,অলাদচক্র কিংবা কেয়ামত আন্দলনএই শব্দগুলি যদি কখনো সুনে থাকেন আমাদের এই আজকের ব্লগটি আপনার জন্য।তবে শুরুতেপরী সিনেমার কথা কথা বলব আপনাদের কোন এভিডেন্স এর ভিত্তিতে বলিউডের সিনেমা বানালো বোলব সেটাও। একটু নোরে চোরে বসুন আজ আপনাদের ভয়,উত্তেজনা আর রোমাঞ্চের রোলার কোস্টারে চরিয়ে নিয়ে আসবো ।আপনার শিরদারা বেয়ে নেমেজাবে হিমশিতল এক আতংক। ঘটনায় অরনব একজন বিবাহ যজ্ঞ ব্যাচেলার একটা প্রেষ আছে তার ছেলের রুজি-রোজগার ভালো তাই বাবা-মা তার বিয়ে দেবেন বলে মেয়ে খুজচ্ছেন।এদিকে পিয়েলি হাসপাতালে নার্সের চাকরি করে তাকে বেশি পছন্দ হয় অর্ণবের।পিয়ালির বোরআইন্টাইড কথা সুনে দুম কোরে ভালো লেগে জায় তাকে।পিয়ালির বাড়ি থেকে ফেরার পথে ঘোটলো সড়ক দুর্ঘটনা।যে দুর্ঘটনা গোটা সিনেমার আবহাওয়াটাকেই বদলে দিবে। বৃষ্টির মধ্যে ভেজা রাস্তায় অর্নবের বাবার গাড়িতে এক বোরকা পরা মহিলা চাপা পড়ে মারা যান,হতভম্ব হয়ে যায় গোটা পরিবার।ভুলটা ওই মহিলারই ছিলতিনিও রাস্তার মাঝখানে চলে এসেছিলেন আচমকা।প্রত্যক্ষদর্শীর বয়ান পেয়ে পুলিশ সেটা বিশ্বাসও করল।কিন্ত কে এই মহিলা,তার বাড়ি কোথায়?
এলালার লোকজন জানালো দুর্ঘটনার কাছেই জঙ্গলের ভেতর থাকে এই মহিলা।মহিলাকে চেনে অনেকেই কিন্তু কারো সাথে কথা বলে না।অর্ণব তখন পুলিশকে সাথে নিয়ে ডুকে পরে জঙ্গলের ভিতর।মহিলা যে মারা গেছেন সেটাতো জানাতে হবে। কে আছে তার পরিবারে?
সেখানে জন্তুর মত শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছে একটি মেয়েকে নাম তার রুকছানা
নিহতো মহিলার মেয়ে সে।তাকে নিয়ে আসা হল হাসপাতালের মর্গে বুঝিয়ে দেওয়া হল তার মা মারা গেছে অর্ণব বারবার ক্ষমা চাইল রুকছানার কাছে।পালন করল রুপসোনা মায়ের শেষকৃত্য,কিন্তু এরই মধ্যে ঘটলো আরেক ঘটনা মর্গে রুকসানার মায়ের শরীরে একটা বিশেষ চিহ্ন দেখে ফেলেছে মর্গের এক লোক।চিহ্ন দেখেই আতকে উঠেছে সে,সঙ্গে সঙ্গে ফোন করেছে বাংলাদেশে থাকা প্রফেসর কাসেম আলীকে।কে এই কাসেম আলী?তিনি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শারীরিক শিক্ষক।১৯৯০ সালে বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া কেয়ামত আন্দোলন নামের এক আন্দোলনের জন্মদাতা ছিলেন তিনি। সিনেমার গল্প যখন ফিরে যায় ফ্ল্যাশব্যাকে চলে যাই বাংলাদেশের সাতক্ষীরায় আশি ও নব্বইয়ের দশকের মধ্যবর্তী একটা সময় সেখানকার সুন্দরী যুবতী মেয়েদের গুম করে তাদেরকে জোর পূর্বক যৌন মিলন ঘটানো হতো ফিক্সিংয়ের সঙ্গে।তার পর গর্ভবতী মেয়েদের পেট থেকে যিনঈফ্রিতের সন্তানকে বের করে একটি বড় পাত্রে সিল করে রাখতেন কাসেম আলী এবং তার সঙ্গীরা। ব্লগের এই পর্যায়ে আপনাদের কাছে দুটি বিষয়ে ব্যাখ্যা করা যায় নতুবা আপনাদের মনে অনেকগুলো প্রশ্ন জাগতে পারে।
স্যাটানিজম এর নাম আমরা সবাই শুনেছি সৃষ্টিকর্তা হিসেবে শয়তানকে বিশ্বাস করা ও তার পূজা করাটাকেই এককথায় স্যাটানিজম বলে।এটা এমন একটা স্বতন্ত্র ধর্ম যার চর্চা করা সভ্য সমাজে পুরোপুরি নিষিদ্ধ।চর্চা করতে হয় গোপনে কাউকে না জানিয়ে।
এবং যুগে যুগে বিভিন্ন গ্রুপে এই স্যাটানিজম চর্চা করে এসেছে অলাতচক্র এমন একটি গ্রুপ।যারা শয়তানকে প্রভু মানে তাদের পূজা করে।১৯৯০ সালে জাতির উৎপত্তি বাংলাদেশের সাতক্ষীরায় কিন্তু অলাতচক্র মেয়েদের কেন অপমান করা শুরু করলো এর কারণ হিসেবে যে তথ্যটি সবচেয়ে বেশি বার সোমা গেছে সেটি হচ্ছে জিন জাতির মধ্যে সবচেয়ে ভয়ংকর জাত ইফ্রিত এর বংশ বিস্তারের উদ্দেশ্যে এই তরুণী মেয়েদের গুম করা হতো।ইফ্রিত অস্থিত্বের কথা ইসলাম ধর্ম অনুযায়ী পরীক্ষিত।ইফ্রিত এর অস্তিত্বের কথা যানা যায় বুখারী হাদিস থেকেও।অনেকের মনে প্রশ্ন জেগেছে ইফিত জিনিসটা কি দেখতে কেমন?
আগেই বলা হয়েছে ইফ্রিত জিন জাতির মধ্যে সবচেয়ে ভয়ংকর। তাদের কখনোই দেখা যায় না তবে তাদের আওয়াজ শোনা যায়। তাদের অস্তিত্ব অনুভব করা যায় সেরা মানব নাড়ীর সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করতে পারে এতে করে সেই নারীটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে
পড়ে সাধারণ মানুষ নয় মাসের মাথায় জন্মগ্রহণ করলেও ইফ্রিতের সন্তান জন্ম নেয় এক মাসের মাথায় যে নারীর সঙ্গে যে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করে সেই নারীর গর্ভে ২৯ দিনে বেড়ে ওঠে ভ্রুন। যে সন্তান জন্মগ্রহণ করে সে জন্ম নেয় নাভেলকট ছাড়াই।অর্থাৎ সেই এক মাস মায়ের গর্ভে বড় হয়েছে ঠিকই কিন্তু মায়ের শরীর থেকে পুষ্টি লাভ করেনি তাকে হৃষ্টপুষ্ট করে বড় করে তুলেছে খুব শয়তান নিজেই।দুই সন্তান ভবিষ্যতে শয়তানের হয়ে বংশবিস্তার এর ধারা অব্যাহত রাখে।এভাবেই ইফ্রিতের অস্তিত্ব টিকে থাকে যুগের পর যুগ।প্রচলিত আছে বাংলাদেশের সাতক্ষীরা অঞ্চল ওলাতচক্র ছিল ইফ্রিত জেনের উপাসক সঙ্গ এবং এদের কাজ ছিল এই জিনের জন্য মেয়েদেরকে ধরে আনা।জিন্দের সঙ্গম হওয়ার একমাস পর বাচ্চার জন্ম হয়ে গেলে মাকে মেরে ফেলা হতো।তার দেহ পুড়িয়ে ফেলা হতো। যাতে কেউ খুঁজে না পায় কখন।আবার সিনেমায় ডুকে যাই আমরা,রোকসানার মা ছিলেন এমনই এক ভাগ্যবিড়ম্বিতা মহিলা অলাতচক্রের হাতে গুম হয়েছিলেন তিনি।ইফ্রিতের সাথে সঙ্গমে বাধ্য করা হয় তাকে। তার গর্ভে আসে ইফ্রিতের সন্তান কিন্তু শেষ মুহূর্তে নিজের প্রাণ নিয়ে বন্দি কারাগার থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয় রক্ষা করেন তার গর্ভে নেওয়া শিশুটির জীবনও। সাতক্ষীরা থেকে বর্ডার দিয়ে পালিয়ে তিনি চলে আসেন পশ্চিমবঙ্গের কোন এক জায়গায় রোকসানাকে নিয়ে সেখানে বসবাস করতে থাকেন।এদিকে মর্গে ডোবার কাছে রুখসানার খবর পেয়ে দলবল নিয়ে কাসেম আলী ছুটে আসেন বাংলাদেশ
থেকে।তার লক্ষ রোকসানাকে বন্দি করে নিয়ে যাওয়া কারন রুকসানা ইফ্রির্চাইল্ড অর্থাৎ এর ইফ্রিরর জিনের বংশধর।এদিকে রুকসানার মাকে এক্সিডেন্টে মেরে ফেলার কারনে অর্ণব বেশকিছুটা দুর্বল হয়ে পড়ে এতিম রোকসানার উপর। আর এই দুর্বলতা রুখসানাকে আশ্রয় করে দেয় অর্নবের বাড়িতে। অর্ণব এর সাথে অদ্ভুত সখ্যতা তৈরি হয় তার একটা সময় দুজনের শারীরিক মিলন হয়ে গেল।কিন্তু রুপসোনাতো ইফ্রিতজিনের বাচ্চা তার সঙ্গে মানুষের মিলনতো জিনের উদ্ভব হবেসেটা তো আর অর্ণব জানিনা এখনো। এদিকে রুকসানার পিছনে অর্ণবকে খুঁজে বের করে ফেলে কাসেম আলী কিন্তু অন্যকে বিশ্বাস করাতে পারে না তার ইফ্রির থিওরি।কাসেম আলী লোকটার মধ্যে কিছুটা খারাপ ব্যাপার আছে সেটা বুঝে যায় অর্ণব

এদিকে অর্নবের বাগদত্তা পিয়ালী টের পেয়ে যায় অর্ণব এর সাথে রুকসানার সম্পর্কের কথা ফলস্বরূপ কর্ণগড় বিছানার মধ্যে টানাপড়েন শুরু হয়ে যায়।
এরই মধ্যে অর্ণব জানতে পারে ১৯৯০ সালে জানতে পারি সেই রহস্যময় ঘটনা সম্পর্কে।যে ঘটনায় তোলপাড় ফেলে দিয়েছিল বাংলাদেশ এবং পশ্চিমবঙ্গে।সাতক্ষীরা ও তার আশেপাশে অঞ্চল থেকে হঠাৎ করে বেশ কিছু নাবালিকা মেয়ে গায়েব হয়ে গিয়েছিল তখন। তাদের পরিবার পুলিশে খবর দিয়েছিল কিন্তু কিছুতেই তাদের খোঁজ পাওয়া যায়নি।গুজব রটে গেল অলাতচক্র নামে এক গোপন সংগঠন
নাকি এই ঘটনার সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ছিল।এলাকার সবাই বলতে শুরু করল এই অলাতচক্রই মেয়েদের হঠাৎ করে হারিয়ে যাওয়ার পেছনে দায়ী।অর্ণব তখন বুঝতে পারে রুকসানা আসলে ইফ্রিত জিনের বংশধর।সেই চটজলদি যোগাযোগ করে কাশেম আলীর সঙ্গে।রোকসানা সাথে ভালোবাসার অভিনয় করে তাকের ধরিয়ে দেয় কাসেম আলীর হাতে।কিন্তু অর্ণব কাসেম আলীর বদমতলবটা ভুঝতে পারেনি তখনো।কাসেম তো চায় রুকসানা গর্ভের বাচ্চাটাকে। তারপর
রোকসানাকে মেরে ফেলা তার লক্ষ।কিন্তু রুখসানা তো জীন মানুষের কাছে কি এতো সহজে হার মানবে? প্রায় এক মাস বন্দি থাকার পর রুকসানা একদিন খুন করে কাশেম আলীকে।বেরিয়ে আসে বন্দিশালা থেকে তারপর খুজতে বের হয় অর্ণবকে তাকে এবং তার সন্তানকে যে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়েছে সেই অন্যায়ের প্রতিশোধ নিতেই হবে। অর্ণব তার সন্তানকে খুনের পথ সুগম করেছে সে অর্নবের ভালোবাসার পিয়ালী কে খুন করবে কিন্তু পিয়ালী কে খুন করতে গিয়ে নিজেই বিপদে পড়ে লোকসান।আচমকা পেটে আঘাত পেয়ে প্রসব বেদনায় ছটফট করে ওঠে সে সেই সংকটাপূর্ণ মুহূর্তে তাকে এবং তার সন্তানকে প্রাণে বাচায় পিয়ালি নার্সের চাকরিতে ঢোকার সময় যে শত্রুর বিপদে পাশে থাকার শপথ নিয়েছিল।একটা আবেগঘন দৃশ্যের অবতারণা হয় সেখানে সিনেমার শেষ দৃশ্য অর্ণব আর পিয়ালির হাতে বাচ্চাটাকে তুলে দিয়ে রোকসানা ফিরে যায় জঙ্গলের ভেতর তার সেই ছোট্ট কুটির ঘড়ে,আরে সেখানে মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা করতে থাকে সে এক বর্ষণমুখর রাতে তার খোজে সেখানে যায় অর্ণব।গিয়ে খুঁজে পায় মুমূর্ষু রোকসানাকে ভালোবাসার মানুষটির হাতের উপরেই শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করে হতভাগ্য রুকসানা।তবে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আপনাদের জানিয়ে রাখি পরী সিনেমা টি সম্পূর্ণ ফিকশন বলে দাবি করা হয়েছে অর্থাৎ ঘটে যাওয়া সাতক্ষীরার এই ঘটনার কোন এভিডেন্স নেই।সিনেমায় THE EVIL CHILD নামে যে বইটার কথা বলা হয়েছে এমন কোন বইয়ের অস্তিত্ব নেই।কাসেম আলী নামে কোন প্রফেসর ছিলে না বাংলাদেশে। তবে গুজব আছে তিনি যে কেয়ামত আন্দোলনের ডাক দিয়েছিলেন সেটা ছিল অলাতচক্র।অর্থাৎ এই শয়তান পূজারীর বিরুদ্ধে কিন্তু পড়ি সিনেমায় তাকে ভিলেন বানানো হয়েছে।এদিকে পত্র-পত্রিকায় যুবতী মেয়েদের গুম করের যেসব এভিডেন্স দেখানো হয়েছে সেগুলোর কোনো প্রমাণ নেই।তবে পুরো ঘটনাটাই বহুল আলোচিত একটি মিথ।এখনো অনেক মানুষের মুখোমুখে ১৯৯০ সালে ঘটে যাওয়াসেই ঘটনার কথা শোনা যায়।তাছাড়া বলিউড যখন এমন গল্পে ছিনেমা বানাবে মানুষতো সুযোগ করে প্রশ্ন ওথাবেই।তবে আমার মতে এগুলো নিয়ে যত কথা বলবে ততই ভালো। আর এই লেখাটি কেবল পরি মুভি এবং তার এক্সপ্লেনেসন নিয়ে।শেষ করছি এই পর্ব জানাতা ভুলবেন না আপনার মতামত।

মন্তব্য করুন